ভালোবাসা ঠিক ততখনই সুন্দর যতখন আমরা আমাদের পছন্দের মানুষকে ভালোবাসি বলতে না পারি....একা একা ভালোবাসার মধ্যেও একটা ব্যাপার আছে I Mean কোনো Expectation থাকে না " I Love You " বললে সেটার রিপ্লাই " I Love You Too" না আসলেও খারাপ লাগে না। ঘন্টার পর ঘন্টা ওর জন্য অপেক্ষা করতে কষ্ট হয় না, চেট বক্স এর টাইপিং লেখাটার দিকে তাকিয়ে থেকে ওর মেসেজের অপেক্ষা করারও এক ধরনের ভালোবাসা....।।।।।
আসলে এত অপেক্ষা, উওর না পেয়েও ওকে কিছু বলতে না পারার পিছনে কারণ একটাই 'অধিকার'। আর এই অধিকারটা আমরা তখনই পাবো যখন ও আমাকে ভালোবাসবে।
আর আমরা জানি, ভালোবাসা তখনই স্বার্থপর হয়ে যাবে যখন ও আমাকে ভালোবাসি বলে ফেলবে। তবুও আমরা সবাই কেন জানি স্বার্থপর ভালোবাসার জন্য অপেক্ষা করি, সবাই বসে থাকি অধিকারের অপেক্ষায়,,,আর অধিকার পেয়ে গেলে আমাদের Expectation ও বেড়ে যায়....।।।
একটা সম্পর্কের মধ্যে প্রথমে আস্তে আস্তে ঝগড়া শুরু হয়, তারপর শুরু হয় কথা না বলে থাকার অভ্যাস, একটা সময় তা ইগো তে পরিণত হয়....
আসেলে আমাদের কাছে রিলেশনটা হচ্ছে একটা Aim এর মতো। যেখানে আমরা সবাই ব্যস্ত থাকি কার থেকে কার ইগো বেশি এইটা প্রমাণ করার জন্য...।।। সম্পর্কের একটা পর্যায়ে আমরা আমাদের ভালোবাসার মানুষের সাথে কথা বলি আমরা তাকে ভালোবাসি এই জন্য না, বরং ও যাতে অন্য কারো সাথে কথা বলতে না পারে এই জন্য,,,,,,।।।।
সম্পর্কের একটা পর্যায়ে আমাদের মধ্যে আর ভালোবাসা থাকে না। কিন্তু ভালোবাসা না থাকলেও আমরা নিজেরা অনুভব করি আমার ওকে যেভাবেই হোক পাওয়া লাগবে....
আমরা যখন আমাদের ভালোবাসার মানুষের সাথে কথা বলা বন্ধ করে দি তখন, আমরা আমাদের ভালোবাসার মানুষকে যতটা না মিস করি তার থেকে বেশি ভয়ে থাকি ওর অন্য কারো সাথে রিলেশন হয়ে যাচ্ছে কি না....আর এই ভয়ে আমরা আমাদের ভালোবাসার মানুষের কাছে বার বার ফিরে যাই।।।।।।
আমরা আমাদের ভালোবাসার মানুষের সাথে থেকে যতটা না ভালো থাকি, শান্তিতে থাকি, তার থেকে বেশি ভালো থাকি যখন আশেপাশের মানুষ বলে,
দোস্ত তোদের দুজনকে না এক সাথে অনেক ভালো লাগে
তোদের জুটিটা অনেক দারুণ
আশেপাশের মানুষের কথা শুনে আমরা এতটাই হ্যাপি হই যে নিজের হ্যাপিনেসটুকু ও sacrifice করতে দ্বিধাবোধ করি না।
বর্তমান সময়ের রিলেশন গুলো এতটাই ক্লোজ হয়ে যায়য় যে আমরা আমাদের বাচ্চার নাম পর্যন্ত ঠিক করে ফেলি। কিন্তু কিছুদিন পর বাচ্চার বাবা - মা দুজনই হারিয়ে যায়। আর এই বাচ্চা এমন একধরনের বাচ্চা যার কোনো অস্তিত্বই নেই। কারণ এই বাচ্চা হচ্ছে দুইটি মানুষের মন। যে কি না তার বাবা - মা কে হারিয়ে এতিম হয়ে যায়।
কল লিস্টের সবচেয়ে পছন্দের নামটা নিচে নামতে নামতে একটা সময় হারিয়ে যায়, ক্লিয়ার হয়ে যায় ফেসবুক মেসেঞ্জারের নিকনেইম গুলোও। আর এইভাবেই আস্তে আস্তে হারিয়ে যায় কিছু সম্পর্ক.....।।।
( আমার লেখাটা বর্তমান সময়কার কিছু রিলেশন এর মধ্যে লুকিয়ে থাকা সত্য বাস্তব নিয়ে।)
Post a Comment
0
Comments
TRENDING
5/recent/post-list
Ads
About Me
আমার নাম আশিকুর রহমান। আমি একজন লেখক, গীতিকার ও সুরকার। শব্দ ও সুরের মাধ্যমে মানুষের অনুভূতি, গল্প এবং জীবনের নানা রঙ প্রকাশ করাই আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। আমি বিশ্বাস করি, একটি সুন্দর লেখা বা একটি হৃদয়ছোঁয়া গান মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। একজন লেখক হিসেবে আমি মৌলিক লেখা, প্রবন্ধ, গল্প, স্ক্রিপ্ট, ক্যাপশন, ব্লগ এবং বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরি করতে ভালোবাসি। প্রতিটি লেখায় আমি অর্থবহ বার্তা, সহজবোধ্য ভাষা এবং পাঠকের সঙ্গে আবেগের সংযোগ তৈরি করার চেষ্টা করি। একজন গীতিকার হিসেবে আমি প্রেম, অনুভূতি, জীবন, অনুপ্রেরণা এবং সমসাময়িক বিষয় নিয়ে মৌলিক গান লিখি। আমার লক্ষ্য এমন গান রচনা করা, যার প্রতিটি শব্দ শ্রোতার হৃদয়ে জায়গা করে নেয় এবং দীর্ঘদিন মনে থাকে। একজন সুরকার হিসেবে আমি প্রতিটি গানের আবেগ অনুযায়ী নতুন ও স্বতন্ত্র সুর সৃষ্টি করার চেষ্টা করি। আমার কাছে একটি ভালো সুর শুধু সংগীত নয়; এটি অনুভূতির ভাষা, যা কথাকে আরও গভীরভাবে প্রকাশ করে। আধুনিক ধারা ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে শ্রোতাদের জন্য স্মরণীয় গান উপহার দেওয়াই আমার লক্ষ্য। আমি সবসময় নতুন ধারণা, নতুন শব্দ, নতুন সুর এবং নতুন অভিজ্ঞতার সন্ধানে থাকি। প্রতিটি কাজ আমি নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং মৌলিকতার সঙ্গে সম্পন্ন করি। আমার বিশ্বাস, সৃজনশীলতা, অধ্যবসায় এবং নিরন্তর শেখার মাধ্যমে এমন কাজ সৃষ্টি করা সম্ভব, যা মানুষের হৃদয় স্পর্শ করবে এবং সময়ের সঙ্গে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলবে।
0 Comments